লক্ষীপুরে ইউপি নির্বাচন : ত্রিমুখী সংঘর্ষ

মে ২৪, ২০১৭ ০৯:০৫:পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, পুলিশের গুলি ও ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হলো উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে। মঙ্গলবার (২৩ মে) অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ইউপি সদস্য প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২৫ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছুড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সকালে ভোট গ্রহণ শুরুর পর পরই বড়খেরী ইউনিয়নের মাহমুদা বেগম জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইউপি সদস্য প্রার্থী ভোটারদের টাকা দেওয়ার সময় অন্য এক সদস্য প্রার্থীর সমথংকদের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে চত্রবঙ্গ করে দেয়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে একই ইউনিয়নে দক্ষিণ রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই সদস্য প্রার্থীদের সমর্থকরা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে এবং উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৪ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছোড়ে। এতে উভয় পক্ষের নারীসহ ১৫জন আহত হয়।
অপরদিকে একই সময় মজাম্বর মিয়ার বাড়ির দরজার খোলা মাঠে (অস্থায়ী ভোট কেন্দ্র) ইউপি সদস্য প্রার্থী বেলাল উদ্দিন তার সমর্থকদের নিয়ে দেশীয় অ¯্রসহ কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে জমির আলী নামে অপর ইউপি সদস্য প্রার্থী তার সর্থকরা ঘটনাস্থলে এসে বাঁধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় তিন পুলিশসহ ৫ জন আহত হয়। পরে ১০ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে পুলিশ।

অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে র‌্যাব পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টহল ব্যবস্থা জোরদার করেছে। আহতদের স্থানীয় ক্লিনিকে নেয়া হয়েছে।

নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কমলনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকুল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ২৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে দু’টি কেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। দুপুরের পর থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রামগতি উপজেলার বড়খেরী, চরআলগী ও চর আবদুল্লাহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।ক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, পুলিশের গুলি ও ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হলো উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে। মঙ্গলবার (২৩ মে) অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ইউপি সদস্য প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ২৫ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছুড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সকালে ভোট গ্রহণ শুরুর পর পরই বড়খেরী ইউনিয়নের মাহমুদা বেগম জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ইউপি সদস্য প্রার্থী ভোটারদের টাকা দেওয়ার সময় অন্য এক সদস্য প্রার্থীর সমথংকদের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে চত্রবঙ্গ করে দেয়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে একই ইউনিয়নে দক্ষিণ রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই সদস্য প্রার্থীদের সমর্থকরা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে এবং উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ১৪ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছোড়ে। এতে উভয় পক্ষের নারীসহ ১৫জন আহত হয়।
অপরদিকে একই সময় মজাম্বর মিয়ার বাড়ির দরজার খোলা মাঠে (অস্থায়ী ভোট কেন্দ্র) ইউপি সদস্য প্রার্থী বেলাল উদ্দিন তার সমর্থকদের নিয়ে দেশীয় অ¯্রসহ কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে জমির আলী নামে অপর ইউপি সদস্য প্রার্থী তার সর্থকরা ঘটনাস্থলে এসে বাঁধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় তিন পুলিশসহ ৫ জন আহত হয়। পরে ১০ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে পুলিশ।

অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে র‌্যাব পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টহল ব্যবস্থা জোরদার করেছে। আহতদের স্থানীয় ক্লিনিকে নেয়া হয়েছে।

নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কমলনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকুল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ২৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে দু’টি কেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়। দুপুরের পর থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রামগতি উপজেলার বড়খেরী, চরআলগী ও চর আবদুল্লাহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Related Post